মৎস্য অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২২nd ডিসেম্বর ২০১৫

মহাপরিচালক

সৈয়দ আরিফ আজাদ ১৯৫৯ সালের ১৮ মার্চ নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার সাহতা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন।তাঁর পিতার নাম-সৈয়দ আনোয়ারুল হক, মাতার নাম-আনোয়ারা বেগম, তিনি পিতা-মাতার জেষ্ঠ্য সন্তান।তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ হতে মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদ থেকে ১ম শ্রেণীতে ১৯৮১-৮২ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং কানাডার ডালহৌসি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৮২ সালের বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হিসেবে কর্ম জীবন শুরু করেন। নবীন অফিসার হিসেবে মৌলিক প্রশিক্ষণ সমূহে মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। সুদীর্ঘ চাকুরী জীবনে সততা, দক্ষতা ও সুনামের সাথে মৎস্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন।তিনি ২০১০ সালের ইটালির রোমে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা কর্তৃক আয়োজিত ২৯তম সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে যোগদান করে বিশেষ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন।জনাব সৈয়দ আরিফ আজাদ ২৫ আগস্ট ২০১১ খ্রি. তারিখে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদে (অতি: দায়িত্ব) নিযুক্ত হন। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্ণালে জনাব আজাদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রকাশনা রয়েছে।

তিনি ছাত্র জীবন থেকে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। চাকুরী জীবনে তিনি বিসিএস মৎস্য ক্যাডারের মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বে এবং অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলশ্রুতিতে মৎস্য অধিদপ্তরের ১৬৯টি পদকে ৬ষ্ঠ গ্রেডে উন্নীত করা সম্ভব হয়। তিনি শুধুমাত্র ক্যাডার কর্মকর্তাদের নেতৃত্ব প্রদান করেননি, কর্মচারীদের স্বার্থ রক্ষায় বিষয়েও সদা সর্বদা সচেষ্ট ছিলেন।

সৈয়দ আরিফ আজাদ উপন্যাসিক এবং কবি হিসেবে সুপরিচিত। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রস্থ বসন্তে ফিরে এসো একুশে বই মেলা ২০১২ এ প্রকাশিত হয়েছে এবং তাঁর উপন্যাস নয়নের আলো বাবা জেগে উঠো পাঠক মহলে ব্যাপক প্রসংশিত হয়েছে। তিনি বাংলাদেশ জুয়োলজিক্যাল সোসাইটির আজীবন সদস্য। তিনি কৃষিবিদ ইনস্টিটউশন, বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ সাহিত্য পরিষদেরও সদস্য।

 


Share with :
Facebook Facebook